কাটাকাটি ০৫

আজকে বেলা বারটার দিকে ক্যাম্পাসে গেলাম। বৌদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি ছিল তাই ক্যাম্পাস অনেকটাই ফাঁকা। তারপরেও ক্লাসের অনেক কে পাওয়া গেল। সামনে পরীক্ষা আসছে তাই আবার ফটোকপির মৌসুম ফিরে এসেছে। যে যেভাবে পারে নোট, ক্লাস লেকচার যোগাড় করে পুলসিরাত পার হওয়ার চিন্তায় থাকে এই সময়। অবশ্য এইসব ক্লাস লেকচার আর নোট ভাল ছাত্রদের কাছে চাওয়া বড় সমস্যার ব্যাপার, হাজারটা বাহানা তাদের। অনেকেই তাই সিনিয়রদের কাছে ছোটাছুটি করে। আমি অবশ্য ভাল ছাত্র আর সিনিয়র কারও কাছে দৌড়ে সুবিধা করতে পারব না তাই চুপচাপ বসে থাকি। কারণ আমার ভরসা বন্ধু বান্ধবেরা।

আজকে বুয়েটের একটা ছেলে মারা গেল, এ্যাকসিডেন্টে। প্রায় প্রতি বছর এরকম একটা ঘটনা ঘটে এই এলাকায়। কোন বছর বুয়েটে, কোন বছর ঢাবিতে, কখনো আবার ইডেনের সামনে। প্রথম প্রথম দুই একদিন দারুণ হইচই হয়, গাডী ভাংচুর হয় তারপর সময়ের নিয়মে কয়েকদিন পর সব আবার চুপচাপ। আবার রাস্তা কাপিয়ে সিগন্যাল না মেনে, নিয়ম না মেনে বাসেদের ছুটে চলা। আসলে টনক নড়ে না কারো। শুধু ঝরে যায় এইসব প্রাণ, অহেতুক, অকারণে এবং কর্তৃপক্ষের অবহেলায়। এই এলাকাটায় আসলে ভারী যান চলাচল সীমিত করা উচিত। নাহলে হয়ত আর ঘটবে এরকম আর অহেতুক অকারণ ঘটনা।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s