কাটাকাটি ০৭

আজকে সকালের পত্রিকা দেখেই মনটা কেমন যেন বিষণ্ণ হয়ে উঠে। এত মৃত্যু। এর দায়ভার কি কার নেই? কয়েকদিন পত্রিকায় লেখালেখি, হেডলাইন, টেলিভিশনে টকশো আর আমাদের আহ উহ, কিন্তু তারপর? তারপর আবার যেই কে সেই। আমরা আবার সব ভুলে যাব, নিজেদের বাডী তৈরি করার সময় এক হাত জায়গা রাস্তার জন্য ছাড়তে রাজি হব না, যেমন তেমন করে একটা বাড়ী তৈরি করতে পারলেই হল। কারণ এটা করতে পারলেই এই শহরে টাকার অভাব হবে না কারণ আছে ভাড়াটিয়া রূপী গিনিপিগেরা। আসলে আমরা সবাই ভুলে যাই কিংবা ইচ্ছে করেই ভুলে থাকি এই সব মৃত্যু কারণ হয়ত আমাদের লোভ মানবতা কে ছাপিয়ে যায় কখনো কখনো।

গতকাল ছিল শেষ ক্লাস, অর্নাস জীবনের শেষ ক্লাস। ক্লাস শেষে সবার সাথে সবার ছবি তোলা, গল্প, ডায়েরীতে কিছু লিখিয়ে নেওয়া, দুপুরে একসাথে খাওয়া আর লাইব্রেরীর সামনে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিশাল আড্ডা সবই হল। অনেকটা আকস্মিক ভাবেই পরিকল্পনাটা নেওয়া হয়েছিল। তাই অনেকটা ঘরোয়া ভাবে হলেও ক্লাস পার্টিটা সবাই খুব এনজয় করেছে বুঝা যায়। ১২৪ জন এরপর হয়ত ১২৪ দিকে ছিটকে পরব, কার খোজ থাকবে হয়ত কার থাকবে না। এইসব আবজাব চিন্তার মধ্যেই সন্ধ্যার শুরুতে বৃষ্টি নেমে আড্ডা ছত্রভঙ্গ করে দিল। হায় সময়, তুমি বড় দ্রুত চলে যাও।

রাতে বসে নেটে ঘোরাঘুরি করছিলাম এসময় একটা এসএমএস আসল, এক বন্ধুর। মেসেজে লেখা- বন্ধুরা মিস করব সবাইকে। মেসেজটা পড়তে পড়তেই আবার মনে হয়- সময় তুমি আসলেই বড় বেশী দ্রত চলে যাও।

Advertisements

2 thoughts on “কাটাকাটি ০৭

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s