পড়ালেখা সহজ ব্যাপার নয়

০।
চলেন একটু আগে যাই মানে বেশ কয়েক বছর আগে, ধরুন যখন আমি ফোর বা ফাইভে পড়ি। ঠিক সেই সময় আমাদের বাসায় একটা বই ছিল সবুজ মলাটের, ছুটির ঘন্টা। সুনীল সম্পাদিত সেই বইয়ের কার জানি একটা গল্প ছিল- পড়াশুনা সহজ ব্যাপার নয়। সেই গল্পের প্রধান তিন চরিত্রের মধ্যে দুই জন ছিল দুই ভাই, কাবুল আর টাবুল। পড়াশুনা বাদে হেন কোন দূষ্কর্ম নাই যা তারা করত না। নানা ভাবে জ্বালিয়ে বাসার একশ এক টিউটর কে তাড়ানো কিংবা ট্রেনে চড়ে বাড়ি থেকে পালানো আর সাথে একেক ক্লাসে বছর দু’তিন করে থাকা সবছিল তাদের কাছে ডাল ভাত। কিন্তু বেচারারা ভুলে গিয়েছিল ওস্তাদেরো ওস্তাদ থাকে। তাই একদিন তাদের বাবা-মা হাজির করে তাদের নতুন টিউটর ধুরন্ধর সামন্তকে। তারপর? তারপর আর কী পুরা সেয়ানে সেয়ানে লড়াই। কিন্তু বললাম না ওস্তাদেরো ওস্তাদ থাকে তাই বেচারা কাবুল আর টাবুলের যত জাড়িজুড়ি ধরা খেতে থাকে। বেচারারা বুঝতে পারে পড়াশুনা ব্যাপারটা আসলে অতটা সহজ নয়। ধুরন্ধর সামন্তের মত ঐরকম ধুরন্ধর কোন ওস্তাদ না থাকলেও আমার কিন্তু বুঝতে দেরী লাগে নি যে আসলেই পড়াশুনা ব্যাপারটা কোন সহজ ব্যাপার নয়।

০১।
আমি হলাম লক্ষ্যহীন মানুষ। কিন্তু কীভাবে কীভাবে যেন কলেজে উঠার পরা আমিও একটা লক্ষ্য ঠিক করে ফেললাম। মানুষজন কত ভাবে তাদের জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে। কেউ তার বাপ-মা, ভাই-বোনদের বা আত্মীয়-স্বজনদের দেখে আবার কেউ বা তাদের জ্ঞান অর্জনের আগ্রহের দিকটা কে মাথায় রেখে। কিন্তু আমি এসবের কোন কিছুর ধার ধারলাম না আমি ঠিক করলাম নাটক দেখে। চড়ুইভাতি নামক এক নাটক দেখে আমি ঠিক করলাম বুয়েটে পড়তে হবে। কারণ? কারন আর কিছুই না চড়ুইভাতি ফ্যান্টাসী। কিন্তু বাস্তব আর ফ্যান্টাসী এক না। তাই আবার অনেকটা লক্ষ্যহীন ভাবে বন্ধুরা অনেকেই ঢাকা বিশ্ব্বিদ্যালয়ের ফর্ম কিনছে তাই আমিও কিনি এইভাবে হাজির হলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ঢাবির শুরুতে ভাবতাম আরে হেসে খেলে যেখানে টিকা যায় সেইখানে পড়াশুনা করে কিছু একটা হওয়া কোন ব্যাপার না। কিন্তু ব্যাপারটা আসলে সত্য না, ব্যাপারটা যে সত্য না সেইটা টের পেলাম জীবনের দ্বিতীয় টিউটোরিয়াল ক্লাসে। স্যার একটা কাজ দিয়েছিল সেইটা হাতে নিয়ে হঠাৎ করে বলে উঠলেন এইটা কার খাতা? আমি হেসে জবাব দিলাম স্যার আমার। এইবার স্যারের পালটা প্রশ্ন ক্লাসের বাকী সবার উদ্দ্যেশে- এই ছেলেকে কে এই ক্লাসে পড়াশুনা করার যোগ্যতা দিছে কে? তারপর প্রশ্নবাণে আমার পুরাতন স্কুল কলেজের নাম বের করে তাদের ভিতর থেকে কীভাবে এই প্রডাক্ট বের হয় এই সন্দেহ পোষণ করে স্যার জানিয়ে দিলেন আমি যে সেইসব স্কুল কলেজের ছাত্র তা তার বিশ্বাস হয় না। অবশ্য স্যারের দোষ দিয়ে লাভ নাই economics যদি কেউ e এর বদলে i দিয়ে লিখে তাইলে তাকে এর থেকে ভদ্র ভাষায় অবশ্য কিছু বলা সম্ভব না।

০২।
আমাদের কলেজে সম্ভবত ক্যান্ডিডেটস টাইমে বা ইলাভেনের শুরুর দিকে একজন ম্যাডাম আসলেন। জাবি থেকে পাশ করে আসা একদম নতুন, সম্ভবত ছাত্রী ছাত্রী গন্ধ তখনো গা থেকে ঠিক করে যায় নি। ক্লাসে আসলে ছুটাছুটি করেন, বাচ্চাদের মত আচরণ। আমাদের জন্য ব্যাপারটা নতুন কারণ আমাদের কলেজে ম্যাডাম মানেই জাদরেল কিছু, অন্তত তখন পর্যন্ত কলেজে বাকী ম্যাডামদের জন্য এই কথাই খাটে। তো এই নতুন ম্যাডাম আমাদের অনেকেরই অনেক কিছু উলটা পালটা করে দিলেন। আমার আর আমার বন্ধু রোকনের তো শখ ছিল আমরা বিয়ে করব হয় মিশরী বা কাশ্মীরী নাহলে ইরানী কোন মেয়ে কারণ কেমনে কেমনে জানি আমাদের ধারণ হয়েছিল এইসব দেশের মেয়েরা অসাধারণ সুন্দরী, আসলে যাকে বলে কৈশরিক ফ্যান্টাসী। হোস্টলে কত রাত যে আমরা দুই জন সাথে মাঝে মাঝে আর অন্য কয়েক জন এই বিষয়ে আলাপ করে কাটিয়েছি তার ইয়াত্তা নেই। সেই রোকন কিনা একদিন আমার কাছে এসে বলে তার বাংলাদেশী কোন মেয়ে কে বিয়ে করতে সমস্যা নেই। অবাক হয়ে আমি যখন পালটা প্রশ্ন করলাম- মানে? তখন ব্যাটা বলে, আসলে ম্যাডামের মত মেয়ে হলে যে কোন বাংলাদেশী মেয়েকে বিয়ে করতে তার সমস্যা নেই। এত বড় বিশ্বাসঘাতকতার পরেও আমি অবশ্য কিছু বললাম না কারণ আমার মনেও ঘুরছিল- হায়রে ম্যাডাম যদি আর মাত্র দশ বার বছর পরে জন্মাত।

তো একদিন কলেজে ম্যাথ পরীক্ষায় ম্যাডাম হলেন গার্ড। আমার পাশে বসেছিল শুভ্র। পরীক্ষা হলে যার নানা কাজকর্ম আমাদের কাছে এখনো কিংবদন্তী। পরীক্ষা চলার আধা ঘন্টা পরে শুভ্র তার ভগবান, আমার আল্লাহ সহ আশেপাশের সবার দোহাই দিয়ে বলল আজকে না দেখালে সে শেষ, শেষ মানে পুরাই শেষ, ফেল। হাজার হইলেও আমার হোস্টেল জীবনের প্রথম রুমমেট তাই তার কথা তো ফেলে দেওয়া যায় না। কিন্তু এই দেখা দেখির এক পর্যায়ে টের পেলাম আমার খাতা ডেস্ক ছেড়ে ম্যাডামের হাতে আশ্রয় নিয়েছে। খাতা হাতে ম্যাডামের এক কথা পড়াশুনা না পারলে আমার উচিত বসে থাকা কিন্তু কোনভাবেই শুভ্রের মত ভদ্র ছেলে কে পরীক্ষার হলে ডিস্টার্ব করা ঠিক না। আমি তখন কি আর বলব কারণ আমার মনে তখন বেজে চলেছে- হায়, উলটা বুঝলি রাম।

০৩।
তখন আমি নতুন ক্লাস নাইন। পড়াশুনার থেকে পিঠের উপর গজানো পাখনা নাড়াচাড়া করানোতেই বেশী উৎসাহ। এর কুফল অবশ্য টের পেলাম কয়েক দিন পর পাক্ষীক পরীক্ষার সময়। হায়ার ম্যাথ পরীক্ষা, অর্ধেক সিলেবাস করে এসেছি। হলে দেখি তিন অংকের মধ্যে একটা কমন আর একটা হয়ত চেষ্টা করলে মিলাতে পারি টাইপ অবস্থা। শুরু করলাম যেইটা হাফ পারি সেইটা দিয়ে কিন্তু ঐটা মিলাতে মিলাতে দেখি আর যেই টাইম বাকী আছে তাতে বাকী অংক কোন ভাবেই লিখে শেষ করা যাবে না। এই সময় পাশের সিটের সায়মন বলল- দোস্ত এই অংকটা দেখ, দেখে লিখে শেষ কর। তাকিয়ে দেখি আমি যেই অংকটা পারি না এইটা সেই অংক সবচেয়ে বড় কথা সাইজে ছোট অংক। এইবার প্রশ্ন করলাম- তুই সিউর তো যে অংক ঠিক আছে। জবাব এল- আরে শালা কালকে রাতেই এই অংক করছি, ঠিক না হয়ে পারে। এত কনফিডেন্স দেখানোর পর বেচারাকে তো আর উপেক্ষা করা যায় না। তাই নিশ্চিন্ত মনে লিখলাম অংক।

পরের সাপ্তাহে স্যার খাতা দিলেন, হাবীর স্যার। দারুন কড়া মানুষ। আমাদের এই পরীক্ষায় ২৫ এ ১০ এ পাশ কিন্তু স্যার যারা ১৫এর নীচে পাবে তাদের কানটানা নিশ্চিত। তাই ক্লাসের আগেই টয়লেটে পালায়ন। এর মধ্যে প্রায় মিনিট বিশেক পর সম্ভবত হাসিন টয়লেটে এসে দাঁত বের করে জানাল আমি ফেল করছি। অংক নাকী একটা হয়েছে তাই পেয়েছি সাত। এই অবস্থায় ক্লাসে স্যারের সামনে তো আর পরা যায় না তাই টয়লেটে অবকাশ যাপন করতে থাকলাম আর খেপতে থাকলাম। কারণ হাসিন আমার খাতা দেখছে। ওর কথামত আমি যেইটা নিজে করছি সেইটা ঠিক আছে কিন্তু যেইটা দেখে লিখছি সেইটা ভুল। তাই সায়মনের উপর রাগতে রাগতে রাগের শেষ সীমানায় পৌছানোর পর ক্লাস শেষ হবার ঘন্টা বাজল। দৌড়ে ক্লাসে গিয়েই প্রথমে বেচারা সায়মন কে ধরে মারমুখী ভংগীতে আমার প্রশ্ন ছিল- ঐ, তুই আমারে ফেল করাইলি কেন? এইবার সাইমনের নির্বিকার উত্তর- দোস্ত খেপিস না, আমিও ফেল করছি। শূণ্য পাইছি।

০৪।
ওপেন বুক এক্সাম বলে একটা শব্দ আছে ইউনীতে আসার আগ পর্যন্ত এটা জানতাম না, সম্ভবত আমাদের ক্লাসের আর অনেকেই জানত না। তাই একদিন এক ম্যাডাম যখন জানাল ওনার পরবর্তী পরীক্ষা ওপেন বুক এক্সাম তখন আর আমাদের পায় কে। এমনিতেই ছেলেমেয়েরা সারা বছর পড়ে না তারু উপর যখন বই খুলে লেখার অবাধ স্বাধীনতা তাইলে আর পরীক্ষার আগের রাতেও পড়ার দরকার কী। তবে পড়াশুনার কী দরকার এইটা টের পেলাম এক্সাম হলে। সবার কাছে গাদা গাদা বই, নোট আর ফটোকপি। কিন্তু কিসের কী, কোন পাত্তা নাই। ম্যাডাম এমন প্রশ্ন করে রেখেছে যে ছেলে মেয়েরা বই খুলেও পার পাচ্ছে না। আর ম্যাডাম সারা ক্লাস জুড়ে হাটে আর মুচকি মুচকি হাসে। আর মাঝে মাঝে হাঁক ছাড়ে সবাই তাড়াতাড়ি লেখ, সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তাতে কি আর খাতা ভরে? তাই আর বাকী সবার মত আমিও মনের মাধুরী মিশিয়ে আন্দাজে অনেক কিছু লিখে দিয়ে আসলাম।

তবে এর আসল মজা শুরু হল ম্যাডামের খাতা দেওয়ার সময়। এই প্রথম ম্যাডাম ক্লাসে খাতা এনে সবার সামনে নাম্বার দিচ্ছেন। না দিলেই সম্ভবত ভাল হত। কারণ একেকটা খাতার যা অবস্থা, ম্যাডামের লাল কালিতে ভরে গেছে। প্রথমে বেশীর ভাগ ক্লাসের ভাল ভাল ছাত্রছত্রীদের খাতা। এদের যদি এই অবস্থা হয় তাইলে আমার মত ব্যাকবেঞ্চারদের তো জান শেষ। শূণ্য অসংখ্য, দুই একও প্রচুর। এমন কি দুই জনকে ম্যাডাম মাইনাস মার্কিং করেছেন। মানে পরের পরীক্ষায় যা পাবে তা থেকে এইবারের প্পাপ্ত মাইনাস নাম্বার মাইনাস হবে। খাতা দেওয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে ঠিক সেই সময় ম্যাডাম হঠাৎ বললেন রোল ১১০ দাড়াও, তোমার চেহারাটা আমি একটু দেখতে চাই। বুঝলাম আমি এইবার শেষ। এইবার কোন গন্ডগল পাকালাম এইটা বুঝার চেষ্টা করতে করতে দাড়ালাম। এইবার অবাক করে দিয়ে ম্যাডাম বলল- কংগ্র্যাচুলেশেন, তুমি হায়েস্ট পেয়েছ। তোমার খাতা দেখে মনে হয়েছে তুমি পড়াশুনা বুঝে করেছ, মুখস্ত না। ক্লাসের সবাই বড় বড় চোখ করে দেখতে লাগল আর আমিও চোখ বড় বড় করে ভাবতে লাগলাম- যেইবার পড়ে পরীক্ষা দিলাম সেইবার লোয়েস্ট আর যেইবার মোটামুটি পড়াশুনা না করেই পরীক্ষা দিলাম সেইবার হায়েস্ট। ওপেন বুকের লীলা বুঝা বড় দায়।

০০।
আমি যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি তখন আশেপাশের সবার মেধাবী বাচ্চাদের দেখে আমার বাবা মায়েরও শখ হল তাদের ছেলে কে বৃত্তি পরীক্ষা দেওয়াবে। তাই থানা পর্যায়ের সবচাইতে জাদরেল শিক্ষক কে ঠিক করা হল আমার টিউটর হিসেবে। ব্যাপারটা আমার মোটেও ভাল লাগল না কারণ যেই সময় বাকী সবাই মাঠে খেলবে সেই সময় পড়াশুনা করার মত অত্যাচার আর নাই। স্যারের সাথে প্রথম দুই একদিন পড়া নিয়ে গাইগুই করার চেষ্টা দেখিয়ে ভয়ে সেই রাস্তা খালাস করে দিলাম। কিন্তু স্যার তারপরেও আমার উপর সন্তুষ্ট হতে পারেন না। প্রতিদিন পড়া শুরু করার আগে একটা টেস্ট দেই যার রেজাল্ট দেখে দিন দিন উনার ভ্রু আর বেশী করে কুঁচকায়। তখন উনি একটা কাজ শুরু করলেন। প্রতিদিন পড়াশেষে আমাকে একটা করে গল্প বলেন, উনার প্রক্তন ছাত্রদের গল্প। যারা কিনা একেক সময় দারুন দারুন সব রেজাল্ট করেছে। যারা আমার মতই পড়তে চাইত না কিন্তু এখন অনেক বড় বড় মানুষ। এইটা সম্ভবত ছিল আমার উপর খাটানো কোন শিক্ষকের সবচাইতে দারুন ট্রিক্স। কারণ একসময় টের পেলাম আমিও স্যারের ঐসব ছাত্রদের মত হতে চাইছি মনে মনে। ভাবতে ভালই লাগত কোন একদিন স্যার আমার গল্প বলবে অন্য কোন ছাত্রের কাছে। গল্পের মাধ্যমে স্যার যে কাজটা করতে চেয়েছিলেন সেইটা সম্ভবত আমার শিক্ষাজীবনের অন্যতম বড় শিক্ষা, স্বপ্ন দেখতে শিখা।

আজ এত বছর পরে আমিও অনেক কে পড়াই। হয়ত এত বড় কিছু না সামান্য টিউশনী। কিন্তু সবসময় চেষ্টা করি যাদের পড়াই তাদের মনে বহু বছর আগে স্যারের খাটানো পুরান সেই ট্রিক্সের ব্যবহার করতে। কারন আজকে দেখা একটা ছোট স্বপ্নও আমূল বদলে দিতে পারে এইসব ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যত। তাই পড়ানোর মাঝে সবাই কে স্বপ্ন দেখানোর চেষ্টা করি কারন হাজার হলেও পড়াশুনা ব্যাপারটা অত সহজ নয় 🙂

(পুরাতন লেখা আজকে নিজের ব্লগে নিয়ে আসলাম)

Advertisements

11 thoughts on “পড়ালেখা সহজ ব্যাপার নয়

  1. ‘ওপেন বুক এক্সাম’
    আমার ছোট ভাই, হয়তো মাথা নিচু করে হাঁটে নয়তো দুষ্টুমি করতে করতে মাথা উপরের দিকেই থাকে। তারও বিষয়টা জানা ছিলো না। মুরুব্বিয়ানা করতে গিয়ে দারুন এক শরম পেয়েছে এবার! 😀

  2. মিশরী বা কাশ্মীরী নাহলে ইরানী মেয়েদের বিয়ে করার শখ এখনো যে নাই, তা কিন্তু না । ম্যাডামের মত কাওকে যে পাওয়া যাচ্ছে না 😦

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s