পাঠকের ডায়েরিঃ বন্দীশালা পাকিস্তান

সন্ধ্যার সময় কাজ না থাকলে প্রায়ই বইয়ের দোকানে ঘোরাঘুরি করি, খুব যে একটা বই কিনি তা না বরং এসি বা ফ্যানের হাওয়া খাইতে খাইতে বই দেখাই মূল উদ্দেশ্য। এরকম গত কয়েকদিন আগে গরমের মধ্যে “মধ্যমা” নামক দোকানে এসির হাওয়া খাইতে খাইতে হঠাত তাকের একটা বইয়ের দিকে চোখ পড়ল, হালকা পাতলা হলুদ রঙের একটা বই। কয়েক পৃষ্ঠা উল্টাতেই আগ্রহ জাগল তবে বইয়ের দোকানে বই আগ্রহ জাগালেও সব সময় তা গরীব ছাত্রদের পকেটের অবস্থার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় না। সবসময় না হলেও এইক্ষেত্রে দুইয়ে দুইয়ে চার হল। কারণ বইটার দাম মাত্র ৫৬ টাকা। বিস্তারিত পড়ুন

আজম খান

চুপ,চুপ,চুপ, অনামিকা চুপঃ

তখন সম্ভবত সেভেন বা এইটে পড়ি, বাসায় টিভি চ্যানেল বলতে সেই আদি অকৃ্ত্রিম বিটিভি। ডিশের স্বাদ পেতে তখনো অনেক দেরি তাই পড়াশোনা বাদে বাসায় থাকার সময়টাতে বাংলা সিনেমা, নাটক, বির্তক, খবর সব দেখি। এমনকী মাঝে মাঝে জনি প্রিন্ট শাড়ির এ্যাড দেখার জন্যও বসে থাকি। সেই সময় একদিন হঠাৎ বিটিভি ছাড়তেই দেখি এক টিঙটিঙে বুড়ো গান গাইছে- চুপ, চুপ,চুপ, অনামিকা চুপ বিস্তারিত পড়ুন

একজন শেখ আহমেদ জালাল এবং মুক্তিযুদ্ধের এক তথ্য ভান্ডার

একটা দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গূরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তাদের স্বাধীনতার ইতিহাস। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এই ইতিহাস সংরক্ষণের দ্বায়িত্ব সাধারণত প্রত্যেক রাষ্ট্রেই নেয় সরকার কিন্তু আমাদের দেশ যেন এক উলটো রাজার দেশ। তাই এদেশের পাঠ্য বইয়ে স্বাধীনতার ইতিহাস পরিবর্তন হয় প্রতি পাঁচ বছর পর পর, জাতীয় পতাকা উড়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে। প্রায়া আড়াইশ বছর আগে স্বাধীন হওয়া যুক্তরাষ্ট্র যেখানে তাদের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিখতে ব্যবহৃত কলম পর্যন্ত সংরক্ষণ করে তখন চল্লিশ বছর আগে স্বাধীন হওয়া আমাদের জাতীয় আর্কাইভ থেকে অযত্নে, অবহেলায় নষ্ট হয়ে যায় মুজিব নগর সরকারের গূ্রুত্বপূর্ণ দলিল। আর তাই জাতীয় ইতিহাস সংরক্ষণে রাষ্ট্রের ব্যর্থতার জন্য এগিয়ে আসতে হয় একজন শেখ আহমেদ জালাল, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর কিংবা এ প্রজন্মের কয়েকজন তরুণ কে। বিস্তারিত পড়ুন

রেবেকা

আজ রাতে শীত আসলেই বেশি পড়েছে, সামান্য এই চাদরে কিছুতেই মানতে চাইছে না। শীতে খাটের উপর রেবেকা কেমন গুটিশুটি মেরে ঘুমিয়ে আছে, দেখে মায়াই লাগে। আহারে মেয়েটা কত রাত না জানি, না ঘুমিয়ে কাটিয়েছে। কম্বলটাও পুরান, পাতলা। রেবেকার শীত মানছে বলে মনে হয় না, কিন্তু শালা কিছুই করার নেই। বিয়ের পর মেজ ভাই যে নতুন কম্বলটা পাঠিয়েছিলেন করাচী থেকে বেশ ওম হত ওটাতে। কিন্তু সোলাইমানের বাচ্চা সব নিয়ে গেল। শখ করে বানানো সেগুন কাঠের টেবিল টা, বাবার আমলের সেই লোহার আলমারী , ঘরে থাকা মাত্র তোলা বেতনের টাকাটা, সব নিয়ে গেল। এমনকি নিয়ে গেল রেবেকাকে। বিস্তারিত পড়ুন

চরমপত্রের একদিন

আমি স্বপ্ন দেখতে ভালবাসি। তাই স্বপ্ন দেখি বিচার হচ্ছে সেইসব ঘাতকদের যারা একটা শিশু জন্মাবার আগেই তাকে চরম আঘাত করেছিল ডিসেম্বরের এই ১৪ তারিখ আটত্রিশ বছর আগে। তাই বিচারের স্বপ্নে আঙ্গুল গুনি, বছর গুনি। ঊনত্রিশ বছর। হয়ত ক্রমান্বয়ে এই সংখ্যাটার বেড়ে চলা মনে হতাশা বাড়ায়। কিন্তু এইসব হতাশা ঝেড়ে ফেলতে চাই। তাই খুঁজে ফিরি আটত্রিশ বছর আগে সেইসব যুদ্ধ বিজয়ী মানুষ গুলোর মনোবলের ভান্ডার। আশায় থাকি নিশ্চয় একদিন শেষ হবে আমাদের এই বছর গণনা। তাই আশ্রয় নিই চরমপত্রের, পুরান সেই ক্লাসিকের। যুদ্ধ দিনের সেই অমরগাথার। আশা করি যুদ্ধের কালদিন গুলোতে মুক্তিযুদ্ধাদের আশার ভান্ডার এর কিছুটা আমরা অনুভব করতে পারব চরমপত্রের এই ক্লাসিক সংখ্যা থেকে। আর হ্যাটস অফ টু এম আর আকতার মুকুল, যুদ্ধ দিনের এই অমরগাথার রচিয়তা কে। বিস্তারিত পড়ুন